কবিতায় কবির চেতনার সদস্য কবি জান্নাতুল নওরীন আত্তারিয়া'র কিছু কবিতা
অপেক্ষা
জান্নাতুল নওরীন আত্তারিয়া
আজ আর বুলবুলি গাহে না
মধু মাখা সুর তার বাজে না,
হঠাৎ বুলবুলি গাইবে যখন
তখন হয়তো আমি শুনবনা।
আজ আর জোনাকিরা জ্বলে না
রাতের বুক জোড়ে আলো ছড়ে না,
হয়তো জোনাক আলো জ্বলবে যখন
তখন আর আমি তা দেখব না।
এখনো তো ধান ক্ষেতে শিস আসে না
কেঁটে যাওয়া ঘুড়িগুলো আটকায় না,
হয়তো ধানের শিস গজাবে যখন
আমি তখন তা ছুঁইব না।
শরৎটা এখনো যে আসে না
সাদা কাঁশে মাঠ কেন সাজে না,
হঠাৎ শরৎটা আসবে যখন
আমি কী গো অনুভব করব না।
আজ কি গো আমায় মনে পড়ে না?
দুস্টু স্মৃতিগুলো উঁকি দেয় না,
হয়তো আমায় মনে পড়বে যখন
তখন আর আমি ভবে থাকব না।
---------------------------------------------------
বিরহীনি
জান্নাতুল নওরীন আত্তারিয়া
কোন এক গোধূলিতে তুমি ছিলে পাশে,
মনে পড়ে সেই ক্ষণ অশ্রুতে মেশে।
মনে ছিল নেশা তবো চোখে ছিল লাজ,
বুকে বড় আশা ছিল মুখে ছিল সাজ।
আজ কেন নেই?
কত বেলা এল গেল পাইনি কো তোমাকে,
তুমিহীনা বিরহীনি মরছে দেখ ধুঁকে ধুঁকে।
ক্লান্ত ক্লেষ্ট মন ভিজে গেছে দু নয়ন,
মানছেনা যেন মানা আমার এ বেহায়া মন।
তুমি দেখ নাই।
মিটি মিটি আলোতে সোনা রং থালাতে,
মন চায় পিছু নিতে বিদায়ের বেলাতে।
আহামরি ভাবনায় সাদা মন হলো কালো,
নিশিরাত জেগে জেগে পোড়া মনে ভোর এল।
তুমি বুজ নাই।
নিশ্চুপ নিরালায় পাশ ঘেঁষে জানলায় বসে কতক্ষণ,
বারে বারে ওঁকি মারে সাত রঙা অনূভুতি স্মৃতি প্রতিক্ষণ।
কথা দিয়েছিলে মোরে কেন ঠেলে দিলে দূরে,
শুধু এই ভাবনায় মরি হায় বারে বারে।
ভাবনার সীমা নাই।
------------------------------------------------
তুমি আমি
জান্নাতুল নওরীন আত্তারিয়া
তুমি সুর বাধতে জান
আমি গান গাইতে পারি,
তুমি যদি বলতে শেখাও
আমি তা বলিয়ে ছাড়ি।
তুমি হলে মোহন বাঁশি
আমি হব কৃষ্ণকলি,
তুমি যদি কাব্য গাঁথ,
আমি তবে গল্প বলি।
তুমি চাও পথিক হতে
আমি হব গৃহবাসী,
তুমি হলে বাবড়িওয়ালা
আমি তবে এলোকেশী।
তোমার পায়ে তিপ্র গতি
আমি ঠাঁয় দাড়িয়ে থাকি,
তোমার আমার ভাবনা দুটো
তবো প্রেম পাকাপাকি।
-----------------------------------------------
আমি ফিরব
জান্নাতুল নওরীন আত্তারিয়া
একদিন ফিরব আমি-
মোহময়ি সোনাঝুড়ি ফুল হয়ে,
মেঘলা দিনে বৃষ্টির পায়ে পায়ে,
যে মেঠোপথ ধরে এতকাল আমি হেটেঁছি
সে পথের ঘাস হয়ে।
আমার প্রায়ই যাওয়া হত
সেই বেতসলতার ঝোপে,
আমিও ফুঠব সেথায় বেতসলতা হয়ে।
ছায়াহরিণীর মত ছুটব পিছু পিছু,
নীল আকাশের সাদা বক হয়ে
আমিও উড়ব একদিন।
কতকাল বোক ভরে নিশ্বাস নেয়া হয়নি,
এ বাস্তব দেহ থেকে অবসান চাই আমি-
ফিরে আসার তিব্র আখাংকায়।
আমি ফিরতে চাই-
বসন্তের দক্ষিণা বাতাসে দুলে, কোকিলের কোকিলের কন্ঠে, দূর আকাশের মেঘের ভেলায় চেঁপে।
আমি সহস্রবার জন্মাব এই পৃথিবীর বোকে,
বার বার ফিরব আমি নতুন কোন রূপে।
আমি আবারো ফিরতে চাই-
মাতাল বাতাস হয়ে যা ছুঁইয়ে দেবে
শ্যামল মেয়ের কালো চুল।
ফিরতে চাই ভ্রমর হয়ে-
যার ফুলে ফুলে বিচরণ।
মনে পড়ে সেই জোৎস্না ঝড়ানো রাত,
চিলেকোঠার সেই জানলার পাশে
তোমার আমার কাটানো কিছুক্ষণ।
তুমি কথা দিয়েছিলে-
আমার এ হাত কোনদিন ছাড়বে না,
তুমি কথা রাখনি।
আমি ফিরতে চাই সেই জোৎস্না ঝড়ানো রাত হয়ে,
যেন সাক্ষি হতে পারি এমন হাজার ও প্রতারণার
আমি ফিরতে চাই,
আমাকে ফিরতেই হবে।
জান্নাতুল নওরীন আত্তারিয়া
আজ আর বুলবুলি গাহে না
মধু মাখা সুর তার বাজে না,
হঠাৎ বুলবুলি গাইবে যখন
তখন হয়তো আমি শুনবনা।
আজ আর জোনাকিরা জ্বলে না
রাতের বুক জোড়ে আলো ছড়ে না,
হয়তো জোনাক আলো জ্বলবে যখন
তখন আর আমি তা দেখব না।
এখনো তো ধান ক্ষেতে শিস আসে না
কেঁটে যাওয়া ঘুড়িগুলো আটকায় না,
হয়তো ধানের শিস গজাবে যখন
আমি তখন তা ছুঁইব না।
শরৎটা এখনো যে আসে না
সাদা কাঁশে মাঠ কেন সাজে না,
হঠাৎ শরৎটা আসবে যখন
আমি কী গো অনুভব করব না।
আজ কি গো আমায় মনে পড়ে না?
দুস্টু স্মৃতিগুলো উঁকি দেয় না,
হয়তো আমায় মনে পড়বে যখন
তখন আর আমি ভবে থাকব না।
---------------------------------------------------
বিরহীনি
জান্নাতুল নওরীন আত্তারিয়া
কোন এক গোধূলিতে তুমি ছিলে পাশে,
মনে পড়ে সেই ক্ষণ অশ্রুতে মেশে।
মনে ছিল নেশা তবো চোখে ছিল লাজ,
বুকে বড় আশা ছিল মুখে ছিল সাজ।
আজ কেন নেই?
কত বেলা এল গেল পাইনি কো তোমাকে,
তুমিহীনা বিরহীনি মরছে দেখ ধুঁকে ধুঁকে।
ক্লান্ত ক্লেষ্ট মন ভিজে গেছে দু নয়ন,
মানছেনা যেন মানা আমার এ বেহায়া মন।
তুমি দেখ নাই।
মিটি মিটি আলোতে সোনা রং থালাতে,
মন চায় পিছু নিতে বিদায়ের বেলাতে।
আহামরি ভাবনায় সাদা মন হলো কালো,
নিশিরাত জেগে জেগে পোড়া মনে ভোর এল।
তুমি বুজ নাই।
নিশ্চুপ নিরালায় পাশ ঘেঁষে জানলায় বসে কতক্ষণ,
বারে বারে ওঁকি মারে সাত রঙা অনূভুতি স্মৃতি প্রতিক্ষণ।
কথা দিয়েছিলে মোরে কেন ঠেলে দিলে দূরে,
শুধু এই ভাবনায় মরি হায় বারে বারে।
ভাবনার সীমা নাই।
------------------------------------------------
তুমি আমি
জান্নাতুল নওরীন আত্তারিয়া
তুমি সুর বাধতে জান
আমি গান গাইতে পারি,
তুমি যদি বলতে শেখাও
আমি তা বলিয়ে ছাড়ি।
তুমি হলে মোহন বাঁশি
আমি হব কৃষ্ণকলি,
তুমি যদি কাব্য গাঁথ,
আমি তবে গল্প বলি।
তুমি চাও পথিক হতে
আমি হব গৃহবাসী,
তুমি হলে বাবড়িওয়ালা
আমি তবে এলোকেশী।
তোমার পায়ে তিপ্র গতি
আমি ঠাঁয় দাড়িয়ে থাকি,
তোমার আমার ভাবনা দুটো
তবো প্রেম পাকাপাকি।
-----------------------------------------------
আমি ফিরব
জান্নাতুল নওরীন আত্তারিয়া
একদিন ফিরব আমি-
মোহময়ি সোনাঝুড়ি ফুল হয়ে,
মেঘলা দিনে বৃষ্টির পায়ে পায়ে,
যে মেঠোপথ ধরে এতকাল আমি হেটেঁছি
সে পথের ঘাস হয়ে।
আমার প্রায়ই যাওয়া হত
সেই বেতসলতার ঝোপে,
আমিও ফুঠব সেথায় বেতসলতা হয়ে।
ছায়াহরিণীর মত ছুটব পিছু পিছু,
নীল আকাশের সাদা বক হয়ে
আমিও উড়ব একদিন।
কতকাল বোক ভরে নিশ্বাস নেয়া হয়নি,
এ বাস্তব দেহ থেকে অবসান চাই আমি-
ফিরে আসার তিব্র আখাংকায়।
আমি ফিরতে চাই-
বসন্তের দক্ষিণা বাতাসে দুলে, কোকিলের কোকিলের কন্ঠে, দূর আকাশের মেঘের ভেলায় চেঁপে।
আমি সহস্রবার জন্মাব এই পৃথিবীর বোকে,
বার বার ফিরব আমি নতুন কোন রূপে।
আমি আবারো ফিরতে চাই-
মাতাল বাতাস হয়ে যা ছুঁইয়ে দেবে
শ্যামল মেয়ের কালো চুল।
ফিরতে চাই ভ্রমর হয়ে-
যার ফুলে ফুলে বিচরণ।
মনে পড়ে সেই জোৎস্না ঝড়ানো রাত,
চিলেকোঠার সেই জানলার পাশে
তোমার আমার কাটানো কিছুক্ষণ।
তুমি কথা দিয়েছিলে-
আমার এ হাত কোনদিন ছাড়বে না,
তুমি কথা রাখনি।
আমি ফিরতে চাই সেই জোৎস্না ঝড়ানো রাত হয়ে,
যেন সাক্ষি হতে পারি এমন হাজার ও প্রতারণার
আমি ফিরতে চাই,
আমাকে ফিরতেই হবে।

Comments